মো. আরফান আলী | ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ
ঠাকুরগাঁও জেলায় পীরগঞ্জ, লোহাগাড়া, সেনুয়া, নাককাটি, কাতিহার, নেকমরদ, রাণীশংকৈল, জাবরহাট, গোগর, শিবগঞ্জ ও হরিপূর এলাকায় কৃষকরা গম শস্যকে গো-খাদ্য হিসেবে হাট-বাজার ও ভ্যানে বিক্রি করছেন। অধিক লাভের আশায় তারা গম ফসল তোলার আগে গম ঘাস হিসেবে পাইকারী কাছে বিক্রি করছেন।
গবেষণায় দেখা গেছে, বাজারে পর্যাপ্ত গিনি, পারা, নেপিয়ার ও ভূট্রা ঘাস থাকা সত্ত্বেও গম দানাদার খাদ্যশস্যের ব্যবহার বাড়ছে। এক বিঘা জমিতে পরিপক্ব অবস্থায় গম বিক্রি করলে প্রায় ২২ হাজার টাকা আয় হয়। তবে গমকে গো-খাদ্য হিসেবে বিক্রি করলে আয় দাঁড়াচ্ছে প্রায় ৩৫ হাজার টাকা। কৃষকরা জানান, কাঁচা অবস্থায় গম বিক্রি করা তাদের জন্য বেশি লাভজনক।
ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) আলমগীর কবীর বলেন, “যেটা কৃষক লাভজনক মনে করে, সেটাই তারা ব্যবহার করে।”
বাংলাদেশ পল্লী ফেডারেশন-এর নির্বাহী পরিচালক ও সাংবাদিকরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, গম শস্যের এই ব্যবহারের কারণে ভবিষ্যতে গম উৎপাদনে হ্রাস হতে পারে। এর ফলে গম নির্ভরশীল পণ্যের দাম বৃদ্ধি এবং খাদ্য সংকট দেখা দিতে পারে। উল্লেখ্য, গম থেকে সুজি, বার্লি, সাগু, আটা ও ময়দা প্রস্তুত করা হয়।
ওয়েবসাইটঃ www.saradesh71.com, নিউজ রুমঃ news@saradesh71.com
কপিরাইট স্বত্ব © জাতীয় দৈনিক সারাদেশ ৭১