রপাশে যৌথভাবে যুদ্ধবিমান টহল দিয়েছে চীন ও রাশিয়া। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) রাতে জাপান সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। টোকিও ও বেইজিংয়ের মধ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যেই এই সামরিক তৎপরতা নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।
জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, রাশিয়ার দুটি টিইউ–৯৫ পারমাণবিক সক্ষমতার কৌশলগত বোমারু বিমান জাপান সাগর থেকে পূর্ব চীন সাগরের দিকে আসে। এরপর সেখানে থাকা দুটি চীনা এইচ–৬ বোমারু বিমানের সঙ্গে তারা প্রশান্ত মহাসাগরে দূরপাল্লার যৌথ টহল চালায়।
পরবর্তীতে আরও চারটি চীনা জে–১৬ যুদ্ধবিমান এই অভিযানে যোগ দেয়। যুদ্ধবিমানগুলো জাপানের ওকিনাওয়া ও মিয়াকো দ্বীপের মধ্যবর্তী আন্তর্জাতিক স্বীকৃত মিয়াকো প্রণালিতে যাওয়া–আসা করেছে।
একই সময় জাপান সাগর আকাশে রাশিয়ার একটি এ–৫০ আগাম সতর্ককারী বিমান ও দুটি এসইউ–৩০ যুদ্ধবিমানকেও শনাক্ত করা হয়। টোকিওর মতে, চীন–রাশিয়ার এই যৌথ সামরিক পদক্ষেপ জাপানের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি।
জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি সামাজিকমাধ্যম এক্সে পোস্ট করে বলেছেন, এই যৌথ অভিযান স্পষ্টভাবেই জাপানের বিরুদ্ধে শক্তি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়েছে। তিনি বলেন, জাপানের যুদ্ধবিমানগুলো পরিস্থিতি মোকাবিলায় আকাশসীমা শনাক্তকরণসহ সব প্রতিরক্ষা নিয়ম মেনে চলেছে।
এদিকে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জাপানের কাছে চীন–রাশিয়ার যৌথ ফ্লাইট ৮ ঘণ্টা ধচীন ও রাশিয়ার যৌথ যুদ্ধবিমান টহলে জাপানের আকাশসীমা উত্তেজনায়। টোকিও জানিয়েছে, মিয়াকো প্রণালি এবং ওকিনাওয়া অঞ্চলে বিমানগত কার্যক্রম জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করেছে। জাপান দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে।
এর আগে গত রোববার জাপান অভিযোগ করে যে, চীনা বিমানবাহী জাহাজ থেকে উড্ডয়ন করা যুদ্ধবিমানগুলো জাপানি সামরিক বিমানের দিকে রাডার নিশানা করে। তবে চীন অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
তাইওয়ান ইস্যুতে সাম্প্রতিক সময়ে জাপানের অবস্থান কঠোর হওয়ায় টোকিও–বেইজিং উত্তেজনা আরও বেড়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
ওয়েবসাইটঃ www.saradesh71.com, নিউজ রুমঃ news@saradesh71.com
কপিরাইট স্বত্ব © সারাদেশ একাওর নিউজ পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়া